লক্ষ্মীপুরে পুলিশ নির্যাতন ও টাকা ছিনতাই মামলা
- রায়পুর থানার সাত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে গরু বিক্রির ৯০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে নির্যাতন ও মিথ্যা মামলা দেওয়ার অভিযোগে বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
- আবদুর রহিমকে ২০২৩ সালের ১৭ ডিসেম্বর গরু বিক্রির টাকা নিয়ে ফিরছিলেন বলে পথে রায়পুর থানার পুলিশ সদস্যরা আটক করে মারধর করে এবং থানায় নিয়ে যায়।
- তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আবু হানিফ বাদী হয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি, অস্ত্র আইন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করে আবদুর রহিমকে কারাগারে পাঠায়; ছয় মাস কারাদণ্ড কাটেন।
- আবদুর রহিমের স্ত্রী রিনা আক্তার ২০২৩ সালের ২৭ ডিসেম্বর মামলা করেন এবং সিআইডি তদন্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি দেওয়ার পর বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ পান।
- আট বছর আগে লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার সাবেক ওসি লোকমান হোসাইন ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে ছাত্রশিবির নেতা আবদুর রহমান বিপ্লবের কাছ থেকে ৭০ লাখ টাকা নিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন বিপ্লব।
- বিপ্লব অভিযোগ করেন, ২০১৮ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ওসি লোকমানের নির্দেশে পুলিশ তাঁর বাসায় ঢুকে দরজা ভেঙে প্রবেশ করে, চোখ বেঁধে হাতকড়া পরিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখে এবং মোটা লাঠিতে মারধর করে।
- বিপ্লব আরও দাবি করেন, ওসি লোকমান তাঁর বাবার কাছে এক কোটি টাকা দাবি করেন এবং ৭০ লাখ টাকা নেওয়ার পর তাঁকে আটটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।
- ওসি লোকমান এই অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং জানান, ডিবি পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশে দিয়েছিলেন এবং নির্যাতনের অভিযোগ সঠিক নয়।
তথ্য যাচাই
রায়পুর থানার সাত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ আছে — যাচাই হয়েছে। গরু বিক্রির ৯০ হাজার টাকা ছিনতাই — যাচাই হয়েছে। আবদুর রহমান বিপ্লবের কাছ থেকে ৭০ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ — যাচাই হয়েছে। ওসি লোকমান হোসাইনের বর্তমান এপিবিএন উত্তরায কর্মরত থাকা — যাচাই হয়েছে।
পক্ষপাত বিশ্লেষণ
প্রথম আলো উভয় প্রবন্ধেই বাদী ও অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের উভয় পক্ষের কথা স্থান দিয়েছে; তবে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগকারীর কথা বেশি তুলে ধরা হয়েছে যা এক পাশের চাপপ্রদর্শন হিসেবে পড়া যেতে পারে।