সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র মামলা
- সাবেক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) দেবাশীষ কুমার বড়ুয়া ও সাবেক লেফটেন্যান্ট (অব.) কাজী গুলশান আরাকে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
- গতকাল রোববার রাতে ঢাকার বনানী ডিওএইচএস এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের পল্লবী জোনাল টিম।
- পল্লবী থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইন, সাইবার নিরাপত্তা আইন ও সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ ধারায় মামলা দেওয়া হয়েছে।
- মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, তাঁরা ‘আওয়ামী লীগ সাপোর্টারস আলফা নাম্বার ওয়ান’ ও ‘বিবিএম ট্রান্সপারেন্সি’ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে সরকারবিরোধী ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি ও প্রচার করেছেন।
- ‘ইউনিটি কেয়ার পাবলিক পার্লামেন্ট’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পলাতক শীর্ষ নেতাদের সাথে যোগাযোগ করে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন ও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে।
- ‘কালআজকাল ডটকম’ নামের ফেসবুক পেজের মাধ্যমে সহিংসতা ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে।
- ২০১৮ সালের ২৭ নভেম্বর নির্বাচনের আগে দেড় শতাধিক অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তার সঙ্গে গণভবনে গিয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি প্রকাশ্যে একাত্মতা প্রকাশ এবং ‘বঙ্গবন্ধু সেনা পরিষদ’ গঠনের অভিযোগও এজাহারে আছে।
- আসামির বিরুদ্ধে অবৈধ অর্থায়ন এবং নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগও রয়েছে।
- মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রত্যেকের সাত দিনের রিমান্ড নিতে আবেদন করেন; উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম প্রত্যেককে চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
- মামলার তদন্তকারী হিসেবে ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের পরিদর্শক (নি) শেখ বশির আহমেদ এবং মামলা দেওয়া হয়েছে গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক আলী আকবর দ্বারা।
তথ্য যাচাই
সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তার নাম, গ্রেপ্তারের তারিখ (গতকাল রোববার), স্থান (বনানী ডিওএইচএস), মামলার আইনি ধারা (সন্ত্রাসবিরোধী আইন, সাইবার নিরাপত্তা আইন, সন্ত্রাসবিরোধী সংশোধন অধ্যাদেশ ২০২৫), রিমান্ডের সময়কাল (চার দিন), আদালতের নাম (ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম), এবং এজাহারে উল্লিখিত প্ল্যাটফর্ম ও ব্যক্তিদের নাম সব প্রাথমিক তথ্যসূত্রে যাচাইকৃত।
পক্ষপাত বিশ্লেষণ
সব তিনি সংবাদসূত্র একই ঘটনার পক্ষে সামঞ্জস্যপূর্ণ তথ্য দিচ্ছে; কোনো সূত্রই ঘটনার বিপরীতে পক্ষপাতিত্বমূলক ভাষা ব্যবহার করেনি। পুলিশের এজাহারের অভিযোগগুলোকে প্রতিবেদনে সরাসরি প্রচার করা হয়েছে।