অ্যান কারসনের গদ্য অনুবাদ ও নাসিমা খানের চিরবিদায়
- কানাডীয় লেখক অ্যান কারসন সম্প্রতি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন; তাঁর গদ্য 'অল্প কিছু কথা' অনুবাদ করেছেন মুহম্মদ আহসান নাহিয়ান।
- প্রাচীন গ্রিক ও রোমান সাহিত্য-সংস্কৃতি নিয়ে তাঁর গভীর পাণ্ডিত্য লেখায় এনে দিয়েছে ভিন্ন মাত্রা; তিনি কবিতা, প্রবন্ধ ও অনুবাদে স্বতন্ত্র এক সাহিত্যভুবন নির্মাণ করেছেন।
- বাংলা ও উর্দু চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নাসিমা খান গতকাল রোববার সন্ধ্যায় ৮২ বছর বয়সে মারা গেছেন; তিনি পুরান ঢাকার লালবাগে ১৯৪৪ সালের ৬ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
- নাসিমা খান 'কার বউ' চলচ্চিত্রের শুটিংয়ে পরিচালক নজরুল ইসলামের ধাক্কায় সিঁড়ি থেকে পড়ে তিন দিন অসুস্থ ছিলেন; এই ঘটনাটি ১৯৬৬ সালে মুক্তি পাওয়া ছবির শুটিংয়ে ঘটেছিল।
- নাসিমা খান ১৯৫৯ সালে এ জে কারদার পরিচালিত 'জাগো হুয়া সাভেরা' চলচ্চিত্রে ছোট চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেক করেন এবং পরে 'তানহা', 'সূর্যস্নান', 'ধারাপাত', 'কার বউ' সহ বহু ছবিতে অভিনয় করেন।
- তিনি অভিজ্ঞ অভিনয়শিল্পী ও পরিচালকদের কাছ থেকে শিখতেন; অভিনেতা ও নির্মাতা খান আতাউর রহমান তাঁকে উচ্চারণ ও বাচনভঙ্গি উন্নত করার পরামর্শ দিয়েছিলেন।
- নাসিমা খানের পৈতৃক নিবাস মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার রাঢ়িখাল গ্রাম; বাবা মোহাম্মদ মাসুদ খান ছিলেন ব্যবসায়ী।
- তাঁর বড় ছেলে শাবাব নাসিম রহমান যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন; ছোট ছেলে নাবিল নাছির রহমান কুশল ১১ ফেব্রুয়ারি বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হন।
- সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত ছেলেকে ফিরে পাওয়ার আশায় দিন কাটাতেন নাসিমা খান; সাত দিন আগে তাঁকে রাজধানীর উত্তরার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।
- ১১ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান; মৃত্যুর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর অভিনয়জীবনের নানা অধ্যায় ফিরে দেখা হচ্ছে।
তথ্য যাচাই
নাসিমা খান ১৯৪৪ সালের ৬ আগস্ট পুরান ঢাকার লালবাগে জন্মগ্রহণ করেছিলেন — যাচাইকৃত। ১৯৬৬ সালে 'কার বউ' মুক্তি পায় — যাচাইকৃত। পরিচালক নজরুল ইসলাম তাঁকে ধাক্কা দিয়েছিলেন — যাচাইকৃত। নাসিমা খান ৮২ বছর বয়সে মারা গেছেন — যাচাইকৃত। অ্যান কারসন সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত — যাচাইকৃত।
পক্ষপাত বিশ্লেষণ
নাসিমা খানের প্রতি সম্মানীয় ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে; তাঁর অভিনয়জীবনের সাফল্য ও কষ্ট উভয়ই সমানভাবে তুলে ধরা হয়েছে। অ্যান কারসনের প্রতিবেদনটি সাহিত্যিক মূল্যায়নের দৃষ্টিকোণ থেকে লেখা।