নানা পাটেকরের মৃত্যু অ্যাথেরোস্ক্লেরোটিক করোনারি ডিজিজজনিত
- ৮ অক্টোবর ভোরে গোয়ার ডোনা পাউলায় নিজের বাসায় অসুস্থ বোধ করে নানা পাটেকর; রাত আড়াইটার দিকে এক বন্ধুকে বার্তা পাঠিয়ে শরীর খারাপ ও বুকের বাঁ পাশে ব্যথার কথা জানান।
- ভোর চারটার দিকে বন্ধু তাঁকে দেখে ঘামতে ও শ্বাসকষ্টে ভুগতে দেখে মণিপাল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়; প্রায় ৪৫ মিনিট পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে ভোর ৫টা ২০ মিনিটে মৃত্যু নিশ্চিত হয়।
- গোয়া মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ চিকিৎসক ময়নাতদন্তের ফল নিশ্চিত করেন; মৃত্যুর কারণ হিসেবে অ্যাথেরোস্ক্লেরোটিক করোনারি আর্টারি ডিজিজে হৃদ্যন্ত্রের বাঁ দিকের প্রধান করোনারি ধমনিতে রক্ত জমাট বেঁধে তীব্র হার্ট অ্যাটাক হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
- প্রাথমিকভাবে গোয়া পুলিশ অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা নথিভুক্ত করেছিল, কিন্তু ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে হৃদ্রোগজনিত স্বাভাবিক মৃত্যুর কথা বলা হয়েছে।
- চার দশকের বেশি অভিনয়জীবনে হিন্দি ও মারাঠি চলচ্চিত্রের অন্যতম শক্তিশালী অভিনেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি; ১৯৭৮ সালে ‘গমন’ দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেক, পরে ‘পরিন্দা’, ‘ক্রান্তিবীর’, ‘রাজু বান গয়া জেন্টলম্যান’, ‘অঙ্গার’, ‘শক্তি: দ্য পাওয়ার’, ‘অপহরণ’ ও মীরা নায়ারের ‘সালাম বম্বে!’-এ অভিনয় করে প্রশংসা পান।
- অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালনা ও চিত্রনাট্য লেখার কাজও করেছেন; ১৯৯১ সালে ‘প্রহার: দ্য ফাইনাল অ্যাটাক’ দিয়ে পরিচালনায় অভিষেক; তিনটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও ২০১৩ সালে পদ্মশ্রী পেয়েছেন।
- তাঁর স্ত্রী নীলকান্তি পাটেকর ও ছেলে মালহার পাটেকর; দাম্পত্য জীবনে টানাপোড়েন থাকলেও বিবাহবিচ্ছেদ করেননি এবং বড় ছেলে দুর্বাসা আড়াই বছর বয়সেই মারা যান।
তথ্য যাচাই
নানা পাটেকরের ৮ অক্টোবর গোয়ায় মৃত্যু, ময়নাতদন্তে অ্যাথেরোস্ক্লেরোটিক করোনারি আর্টারি ডিজিজজনিত হার্ট অ্যাটাকের কারণ উল্লেখ, গোয়া মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ চিকিৎসকের নিশ্চিতকরণ, প্রায় ৪৫ মিনিট পুনরুজ্জীবিত চেষ্টা, ভোর ৫টা ২০ মিনিটে মৃত্যু, গোয়া পুলিশের প্রাথমিক অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা ও চূড়ান্ত প্রতিবেদনে স্বাভাবিক মৃত্যু—সব তথ্য প্রতিবেদন থেকে যাচাইকৃত।
পক্ষপাত বিশ্লেষণ
সংবাদে কোনো পক্ষপাতিত্ব দেখা যায় নি; উৎস প্রথম আলো/এনডিটিভি ময়নাতদন্তের চিকিৎসক ও প্রতিবেদনের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে neutrally সংবাদ তৈরি করেছে।