এআই-যুগেও দলগুলোর নেতারা মেয়েদের বয়স কমানোর যুক্তি দিচ্ছেন
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, এআই ও রোবোটিকসের যুগেও দেশের বড় বড় রাজনৈতিক দলের নেতারা মেয়েদের বিয়ের আইনি বয়সসীমা কতটা কমিয়ে আনা যায়, তা নিয়ে যুক্তি দেখাচ্ছেন।
- আজ সোমবার বনানীর শেরাটন হোটেলে কোইকা ও ইউনিসেফর যৌথ উদ্যোগে ‘হার স্কিলস, হার ফিউচার’ প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন তিনি।
- ববি হাজ্জাজ বলেন, আইন চাপিয়ে দেওয়ার চেয়ে নারীর ক্ষমতায়নই বাল্যবিবাহ ঠেকানোর মূল ভিত্তি; সত্তর বা আশির দশক থেকে মেয়েদের বিয়ের গড় বয়স অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের কারণে বেড়েছে।
- প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বাইরে থাকা সুবিধাবঞ্চিত ও গ্রামীণ নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি ও যোগাযোগদক্ষতা তৈরি করা প্রয়োজন।
- ইউনিসেফ বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত প্রতিনিধি জিলিয়ান মেলসপ বলেন, এ প্রকল্পে ১৭ হাজার কিশোরীর জন্য উন্নত ভবিষ্যতের পথ সুগম হয়েছে; দক্ষতা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তারা নিয়োগকর্তা ও সমাজের সঙ্গে সংযুক্ত হবে।
- কোইকা বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর জিহুন কিম বলেন, প্রকল্পটি তরুণীদের দক্ষতায় বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।
- প্রকল্পের আওতায় ৪২ জন ‘মাস্টার ট্রেইনার’ প্রশিক্ষণ পেয়েছেন; প্রতিমন্ত্রীর হাতে দুজনের ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়, বাকি ৪০ জনের কাছে সনদ ও ক্রেস্ট পৌঁছে দেওয়া হবে।
- অনুষ্ঠানে ইউনিসেফ বাংলাদেশের শিক্ষা বিভাগের প্রধান দীপা শঙ্করর সভাপতিত্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো ও বিভিন্ন দেশি-বিদেশি উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তথ্য যাচাই
প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের বক্তব্য, কোইকা ও ইউনিসেফের যৌথ উদ্যোগ, প্রকল্পের নাম ‘হার স্কিলস, হার ফিউচার’, ৪২ জন মাস্টার ট্রেইনার, ১৭ হাজার কিশোরী—সবই প্রথম আলোর প্রতিবেদনে উল্লিখিত; অন্য কোনো উৎস থেকে যাচাই করা হয়নি।
পক্ষপাত বিশ্লেষণ
প্রতিবেদনে প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য সরাসরি উদ্ধৃত করা হয়েছে এবং অনুষ্ঠানের তথ্যগুলো প্রদত্ত হয়েছে; কোনো পক্ষপাতিত্ব স্পষ্ট নয়, তবে প্রধান উৎস প্রথম আলো।