বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীতে অবৈধ মা ইলিশ নিধন চলছে
- বরিশালের বানারীপাড়ার সন্ধ্যা নদীতে সরকারি ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ডিমওয়ালা ‘মা’ ইলিশ শিকারের মহোৎসব চলছে।
- উপজেলার সন্ধ্যা নদীর কাজলাহার, ব্রাহ্মণকাঠি, নলশ্রী, দিদিহার, তালাপ্রসাদ, নয়াবাজার, মসজিদবাড়ি ও চিড়াপাড়া পয়েন্টে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা অবৈধ জাল দিয়ে শিকার করা হচ্ছে, যেখানে নলশ্রী, বাংলাবাজার ও মসজিদবাড়ি পয়েন্টের শিকারিরা সবচেয়ে বেপরোয়া।
- স্থানীয় মৎস্য দফতরের যথাযথ তদারকি ও আধুনিক জলযানের অভাবে অভিযান ব্যাহত হয়েছে, ফলে অপরাধী চক্র আরও বেপরোয়া হয়েছে এবং কর্মকর্তার ওপর হামলা ও ভাষাগালিগালাজের ঘটনাও ঘটছে।
- স্থানীয় সচেতন সুধীজনের মতে, প্রভাবশালী ও সুবিধাভোগী মহলের প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ মদদে এই অবৈধ নিধন চলছে এবং আইনের কঠোর প্রয়োগ না থাকায় অপরাধীরা সহজে পার পেয়ে যাচ্ছে।
- গত ১০ অক্টোবর রাতে অবৈধভাবে শিকার করা ইলিশ ভাগাভাগির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে স্থানীয় মহলে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
- স্থানীয়রা জানিয়েছেন, প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষা না করলে আগামী বছরগুলোতে বাজারে ইলিশের মারাত্মক সঙ্কট দেখা দেবে এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাবে।
- স্থানীয় সচেতন মহল ৪ দফা জরুরি দাবি জানিয়েছেন: আধুনিক জলযান ও পর্যাপ্ত নিরাপত্তাকর্মী সরবরাহ, পুলিশ·কোস্টগার্ড·স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে যৌথ অভিযান, রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে কঠোর আইনি ব্যবস্থা, এবং জনসচেতনতামূলক পাহারা ও কার্যক্রম জোরদার করা।
- অবিলম্বে কঠোর ও বাস্তবমুখী প্রশাসনিক অভিযান না গেলে সন্ধ্যা নদী তার মূল প্রাণস্পন্দন হারিয়ে ফেলবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
তথ্য যাচাই
বানারীপাড়া (বরিশাল), সন্ধ্যা নদী, ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা, দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা অবৈধ শিকার, নলশ্রী/বাংলাবাজার/মসজিদবাড়ি পয়েন্টে, ১০ অক্টোবর রাতে ভিডিও ছড়ানো — সব তথ্য প্রতিবেদনে সরাসরি উল্লিখিত।
পক্ষপাত বিশ্লেষণ
সংবাদটি স্থানীয় সচেতন মহল ও বাসিন্দাদের পক্ষে প্রবণ, যারা মৎস্য বিভাগের অকার্যকরতার সমালোচনা করেছে; প্রভাবশালী মহলের প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ মদদের অভিযোগ প্রতিবেদনে উপস্থাপন করা হয়েছে কিন্তু মৎস্য দফতরের পক্ষ থেকে প্রতিক্রিয়া সংযোজন করা হয়নি।