সুন্দরবন ও রাণীনগরে বিষ দিয়ে মাছ ধরার অভিযোগ
- সুন্দরবনের বিভিন্ন খাল ও নদীতে বিষ প্রয়োগ করে মাছ ধরা বন্ধে নিয়মিত অভিযান চালায় বন বিভাগ, তবে মামলায় বিষ প্রয়োগের বৈজ্ঞানিক প্রমাণ স্থাপন কঠিন।
- সাতক্ষীরা বন আদালতে ফরেস্টার জিয়াউর রহমান বলেন, বন বিভাগের নিজস্ব পরীক্ষাগার নেই এবং নমুনা পরীক্ষায় প্রায় ১৫ দিন লেগে যাওয়ার কারণে মাছে বিষের উপস্থিতি নিশ্চিত করা যায়নি।
- গত জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত তিন মাসে সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ ধরার ঘটনায় ৩৪টি মামলা, ৩৭ জন আসামি করা, ২৫ জন গ্রেপ্তার, ৫৯টি বিষের বোতল, ১৬৭ কেজি চিংড়ি, ১০০ কেজি অন্যান্য মাছ, ৮৯টি নৌকা ও ৭০টি অবৈধ জাল জব্দ হয়।
- খুলনার কয়রা বন আদালতের ১০টি মামলার নথি পর্যালোচনায় দেখা যায়, বিষের বোতল ও চিংড়ি জব্দের বিবরণ রয়েছে, তবে কোনো মামলায় রাসায়নিক পরীক্ষার ফলাফল উল্লেখ নেই।
- নওগাঁর রাণীনগরে পূর্বশত্রুতার জেরে শনিবার (১০ অক্টোবর) ভোরে জয়সার গ্রামে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে।
- ক্ষতিগ্রস্ত মাছচাষী বাবলু প্রামাণিক বলেন, প্রায় তিন বছর ধরে মাছ চাষ করে আসা সত্ত্বেও এই ঘটনায় ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকার মাছ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন।
- থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকারিয়া মন্ডল জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।
তথ্য যাচাই
সুন্দরবনে গত জুন-আগস্টে ৩৪টি মামলা, ৩৭ জন আসামি, ২৫ জন গ্রেপ্তার, ৫৯টি বিষের বোতল, ১৬৭ কেজি চিংড়ি, ১০০ কেজি মাছ, ৮৯টি নৌকা ও ৭০টি জাল জব্দের তথ্য প্রথম আলোর সংবাদ থেকে যাচাইকৃত। রাণীনগরে ঘটনার তারিখ শনিবার ১০ অক্টোবর এবং ক্ষতির পরিমাণ ৩০-৩৫ লাখ টাকা দৈনিক নয়া দিগন্তের সংবাদ থেকে যাচাইকৃত। বিষ প্রয়োগের প্রমাণ স্থাপনের কঠিনতা উভয় প্রবন্ধেই উল্লেখ আছে।
পক্ষপাত বিশ্লেষণ
প্রথম আলো বন বিভাগের কর্মকর্তাদের সাক্ষাৎকার ও পরিসংখ্যান তুলে ধরেছে, যা সরকারি পক্ষের তথ্য প্রদানের দিকে ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে; অপরদিকে দৈনিক নয়া দিগন্ত স্থানীয় সংবাদদাতার হাতে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদন দিয়েছে।