চুয়েটে ২০ দিনের আন্দোলনে প্রশাসনিক কার্যক্রম অচল
- চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্দোলনের কারণে ২০ দিনেও শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়নি।
- প্রশাসনিক ভবনে এখনো ঝুলছে তালা এবং উপাচার্যের অনুপস্থিতিতে ১১ ও ১২ অক্টোবর দুই দিনের জন্য যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আরাফাত রহমানকে রুটিন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।
- তবে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অধ্যাপক আরাফাত রহমানের রুটিন দায়িত্ব গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেছেন।
- চুয়েট স্টাফ এসোসিয়েশনের কার্যকরী কমিটির জরুরি সভায় সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েকে পুনর্বহাল না করা পর্যন্ত পূর্ণ কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি আরও জোরালো ও গতিশীল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- সংগঠনের সভাপতি মো. জামাল উদ্দীন ও সাধারণ সম্পাদক প্রিয়তোষ চক্রবর্তী সভায় উপস্থিত ছিলেন।
- শিক্ষার্থীরা একটি বিবৃতিতে জানিয়েছেন, চুয়েটের সংকট নিরসনে অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েকে উপাচার্য পদে পুনর্বহালই তাদের একমাত্র দাবি এবং সাময়িক দায়িত্ব প্রদান দিয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়।
- গত ২১ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েকে উপাচার্যের পদ থেকে সরিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের নতুন উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয়।
- গত ২৭ জুলাই উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পাওয়া অধ্যাপক সায়েকে মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় সরিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে পরদিন থেকেই শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামেন এবং পরে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা একাত্মতা প্রকাশ করেন।
- আন্দোলনের মধ্যে গত ২৪ সেপ্টেম্বর অনলাইনে উপাচার্য হিসেবে যোগদান করেন অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম, কিন্তু আন্দোলনকারীদের বিরোধিতার কারণে এখনো ক্যাম্পাসে যেতে পারেননি তিনি এবং বর্তমানে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে অবস্থান করে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
- অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম গত ১০ অক্টোবর গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, ঢাকায় দুটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে পূজার ছুটির পর ক্যাম্পাসে যাওয়ার প্রস্তুতি নেবেন এবং ছুটির পর বিশ্ববিদ্যালয়ের অচলাবস্থা কেটে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।
তথ্য যাচাই
চুয়েটে আন্দোলন ২০ দিন ধরে চলছে — যাচাইকৃত; উপাচার্য ড. শেখ শরীফুল আলম অনুপস্থিত — যাচাইকৃত; সাবেক উপাচার্য ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়ে পুনর্বহালের দাবি — যাচাইকৃত; গত ২১ সেপ্টেম্বর নতুন উপাচার্য নিয়োগ — যাচাইকৃত; অধ্যাপক সায়েকে ৫৬ দিনের মাথায় সরানো — যাচাইকৃত; আন্দোলন ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে অনলাইনে উপাচার্য যোগদান — যাচাইকৃত।
পক্ষপাত বিশ্লেষণ
সংবাদটি শিক্ষার্থী ও স্টাফ এসোসিয়েশনের ঘোষণা ও বিবৃতি সরাসরি উদ্ধৃত করেছে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত নয়, তাই প্রবন্ধটি প্রধানত প্রতিবাদী পক্ষের কথা তুলে ধরেছে।