সৌদি আরবে হুতি হামলায় নিহত দুই বাংলাদেশি
- সৌদি আরবের রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল-৩ এ হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রাণ হারানো দুই বাংলাদেশির পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
- নিহতদের একজন হলেন বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মাদলা গ্রামের মোহাম্মদ শাহেদ আহম্মেদ, যিনি চার বছর আগে সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন।
- দ্বিতীয় নিহত হলেন কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের মাওলানা নাসরুল্লাহ বদরপুরী, যিনি ঢাকার কামরাঙ্গীরচর রবিউল উলুম মাদ্রাসার মুহাদ্দিস ছিলেন।
- শাহেদ আহম্মেদ প্রবাসে যাওয়ার পূর্বে দেশে ছুটি কাটিয়ে ফিরেছিলেন এবং কাজের তাগিদে শুক্রবার সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়েন।
- নাসরুল্লাহ বদরপুরী পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন এবং বিমানে বসেই ইহরাম পরিহিত ছবি শেয়ার করেছিলেন।
- প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে; শাহেদের পাসপোর্ট নম্বর ইএন-০২২০০২৪ এবং ইকামা নম্বর ২৫৫৬৪৭২২৩৭ উল্লেখ করা হয়।
- নাসরুল্লাহ বদরপুরীর পাসপোর্ট নম্বর এ-২২৭৫৮১৯৪ এবং বর্ডার নম্বর ৪১৯৪০৭২২৭০ প্রদান করা হয়।
- শাহেদের বাবা রফিকুল ইসলাম প্রায় ৪০ বছর ধরে সৌদি আরবে থাকেন; মা ছাহেরা বেগম দুই মাস আগে ওমরাহ পালনে গেছেন।
- শাহেদের স্ত্রী কোহিনুর আক্তার কাকলী এবং দুই সন্তান ১০ বছর বয়সী কাওসার ও ৬ বছর বয়সী জিসান দেশে রয়েছেন।
- শাহেদের চাচা লুৎফর রহমান সরকারের কাছে আকুল আবেদন করেন মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থার জন্য।
- শাজাহানপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আশিক ইকবাল জানান, সংবাদ পাওয়ার পরপরই নিহতের বাড়িতে গিয়ে খোঁজখবর নেওয়া হয়।
- নাসরুল্লাহ বদরপুরীর বাবা হাফেজ মোহাম্মদ উল্লাহ ইসলামিয়া আরাবিয়া ফয়জুল উলুম সিঙ্গরিয়া মাদ্রাসার সদরে মুহতামিম এবং মা জাহানারা বেগম।
- নাসরুল্লাহ চার ভাইয়ের মধ্যে তৃতীয় এবং দুই ছেলে ও এক মেয়ের জনক; আকস্মিক মৃত্যুতে গ্রাম ও মাদ্রাসায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
তথ্য যাচাই
দুই বাংলাদেশি নিহত — শাহেদ আহম্মেদ ও নাসরুল্লাহ বদরপুরী; কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর টার্মিনাল-৩ তে হুতি হামলা; পাসপোর্ট ও ইকামা নম্বর প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে উল্লিখিত — সব তথ্য মানবজমিন প্রতিবেদনে রয়েছে।
পক্ষপাত বিশ্লেষণ
প্রতিবেদনে পরিবারের কান্না ও শোকের বর্ণনার মাধ্যমে আবেগপ্রবণতা লক্ষ্য করা যায়; সরকারি কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া ও পাসপোর্ট তথ্য সম্পর্কে সুষমভাবে তথ্য দেওয়া হয়েছে।