সেন্টমার্টিনে পর্যটন নিয়ন্ত্রণ পুনর্বিবেচনা
- পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু জানিয়েছেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটনের সময়সীমা, পর্যটক সংখ্যা এবং পর্যটকবাহী জাহাজ ছাড়ার স্থান পুনর্বিবেচনা করা হবে।
- সচিবালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, কক্সবাজার-৪ সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী এবং ঢাকা-১৪ সংসদ সদস্য মীর আহমদ বিন কাসেম উপস্থিত ছিলেন।
- মন্ত্রী বলেন, দ্বীপের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য অক্ষুণ্ণ রেখে পর্যটন কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে এবং দ্বীপের ধারণক্ষমতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও সুপেয় পানির প্রাপ্যতা বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।
- পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড স্বীকৃত ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে ট্রাভেল পাস ও কিউআর কোডসংবলিত টিকিট ক্রয় এবং পরিবেশ সংরক্ষণমূলক নির্দেশনা অনুসরণের ওপর জোর দেন।
- সভায় ২০২৬-২০২৭ পর্যটন মৌসুমে পর্যটক গমন ও অবস্থান নিয়ন্ত্রণ, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং পর্যটকদের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হয়।
- ২২ অক্টোবর ২০২৫ তারিখের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নভেম্বর মাসে পর্যটক দিনের বেলায় ভ্রমণ করে একই দিনে ফিরে আসবেন; ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে রাত্রিযাপন করা যাবে এবং ফেব্রুয়ারি মাসে পর্যটক যাতায়াত বন্ধ থাকবে।
- পর্যটকের সংখ্যা গড়ে প্রতিদিন দুই হাজারের বেশি হবে না এবং সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, প্রবালসহ দ্বীপের জীববৈচিত্র্য সুরক্ষায় বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞাগুলো বলবৎ থাকবে।
- সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম, অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ, নৌপরিবহন অধিদফতরের মহাপরিচালক কমডোর মো: শফিউল বারী এবং সংশ্লিষ্ট স্থানীয় প্রশাসন ও পর্যটন ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।
তথ্য যাচাই
সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটনের সময়সীমা, পর্যটক সংখ্যা ও জাহাজ ছাড়ার স্থান পুনর্বিবেচনা করা হবে — এটি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর বক্তব্য হিসেবে প্রতিবেদনে উল্লিখিত। ২২ অক্টোবর ২০২৫ তারিখের প্রজ্ঞাপন ও ২০২৬-২০২৭ পর্যটন মৌসুমের বিধানও প্রতিবেদনে যাচাইকৃত।
পক্ষপাত বিশ্লেষণ
প্রতিবেদনে কোনো পক্ষপাতিত্ব দেখা যায় নি; সরকারি সভার সিদ্ধান্ত ও মন্ত্রীর বক্তব্য সরাসরি উদ্ধৃত হয়েছে।