সরকার ১৫০টি স্থলভাগের গ্যাসকূপ খননের পরিকল্পনা করেছে
- পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো: জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেছেন, দেশে গ্যাসের অনেক উৎস রয়েছে এবং সরকার এসব উৎস কাজে লাগাতে চায়।
- সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী স্থলভাগে (অনশোরে) মোট ১৫০টি গ্যাসকূপ খননের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে; চলতি অর্থবছরে ৩০টি কূপের খননের কাজ শুরু হয়েছে এবং তিনটি কূপের খনন চলছে।
- সমুদ্রাঞ্চলে (অফশোরে) গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য নতুন উৎপাদন অংশীদারত্ব চুক্তি (প্রোডাকশন শেয়ারিং কন্ট্রাক্ট) হয়েছে, যা জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় পরিচালিত হবে।
- সাকি বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক লাখ কোটি ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করতে হলে সমুদ্রসম্পদ ব্যবস্থাপনাকে জিডিপির গুরুত্বপূর্ণ অংশ করে তুলতে হবে।
- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একটি সুনীল অর্থনীতি সেল রয়েছে; পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় জাহাজ নির্মাণশিল্প, বন্দর ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়নকে গুরুত্বপূর্ণ খাত হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
- বন্দরগুলোর সাথে দেশের উৎপাদনকেন্দ্রগুলোর যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন সরকারের অগ্রাধিকার; সড়কের পাশাপাশি রেল ও নৌপথের উন্নয়নেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
- এই বিষয়ে আলোচনা করতে আইইউবি বঙ্গোপসাগর গবেষণা কেন্দ্র সোমবার (১২ অক্টোবর) একটি সেমিনার আয়োজন করে, যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ম. তামিম স্বাগত জানান।
- সেমিনারে আইইউবি ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য জাভেদ হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের ওঠানো-নামানোর কাজ হয় এবং ২১ হাজার টন জ্বালানি তেলবাহী জাহাজ থেকে তেল খালাস করতে দেশে তিন থেকে পাঁচ দিন সময় লাগে, অথচ সিঙ্গাপুরে একই কাজে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা লাগে।
- সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অবসরপ্রাপ্ত রিয়ার অ্যাডমিরাল খুরশেদ আলম; ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন আইইউবির স্কুল অব লিবারেল আর্টস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেসের ডিন অধ্যাপক ড. বখতিয়ার আহমেদ।
তথ্য যাচাই
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো: জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকির বক্তব্য, ১৫০টি স্থলভাগের গ্যাসকূপ খননের পরিকল্পনা, চলতি অর্থবছরে ৩০টি কূপের খনন, আইইউবি সেমিনারের তারিখ ১২ অক্টোবর, চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার কাজ ও সিঙ্গাপুরের তুলনামূলক সময়সীমা — সবগুলো প্রবন্ধে উল্লিখিত।
পক্ষপাত বিশ্লেষণ
সংবাদটি সরকারি কর্মকর্তার বক্তব্যের সরাসরি প্রতিবেদন; কোনো বিশেষ পক্ষপাতিত্ব বা সমালোচনামূলক ভাষা ব্যবহার করা হয়নি।