পাগলা মসজিদের দানবাক্স থেকে স্বর্ণ-রুপা গণনা শুরু
- কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স থেকে পাওয়া স্বর্ণ, রূপা ও বৈদেশিক মুদ্রার শ্রেণিবিন্যাস, ওজন নির্ধারণ ও গণনা সোমবার থেকে শুরু হয়।
- জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিনের তত্ত্বাবধানে কার্যক্রম চলছে; নিরাপত্তায় থাকছেন তিনজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ১০ জন পুলিশ ও ছয়জন এসআরবি সদস্য।
- ট্রেজারি থেকে নয়টি মাঝারি আকারের কনটেইনার ও ছয়টি সিলগালাকৃত খাম সম্মেলন কক্ষে নিয়ে আসা হয়ে স্বর্ণ-রূপা ক্যারেট অনুযায়ী পৃথক করা হচ্ছে।
- বিভিন্ন দেশের মুদ্রা দেশভিত্তিক আলাদা করে গণনা করা হচ্ছে; বিকেল পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
- স্বর্ণ ও রূপার বাজারমূল্য নির্ধারণের পর পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে নিলামে বিক্রি করা হবে; বৈদেশিক মুদ্রা বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ বিনিময় হার অনুযায়ী নগদায়ন করা হবে।
- ২০২০ সালের ১১ মার্চ দানবাক্স খোলা হয়েছিল তখন প্রায় তিন বছরে জমা ৪২০ ভরি স্বর্ণালংকার ও ১৮৮ ভরি রূপা নিলামে বিক্রি করে ১ কোটি ১১ লাখ ১০ হাজার ১২০ টাকা এবং বৈদেশিক মুদ্রা নগদায়নে ১ লাখ ২৭ হাজার ৬৫১ টাকা পাওয়া গিয়েছিল।
- ২০২০ সালের ১১ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত ১৮ বার দানবাক্স খোলা হয়েছে; সর্বশেষ এ বছরের ২৭ জুন খোলা হয়।
- বর্তমানে পাগলা মসজিদের তহবিলে ১৩১ কোটি ৮৫ লাখ ৪৪ হাজার ৮১০ টাকা জমা রয়েছে এবং মসজিদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনুদান হিসেবে আরো ৩৯ লাখ ৩২ হাজার ৯০৬ টাকা পাওয়া গেছে।
- এক কোটি ১০ লাখ ৮৮ হাজার ৪৬৪ টাকা ব্যয়ে পাগলা মসজিদ সম্প্রসারণ ও ইসলামিক কমপ্লেক্স নির্মাণের কাজ চলছে; তিনটি নামাজের শেড, অজুখানা, নারীদের ওয়াশব্লক এবং পাবলিক টয়লেট নির্মাণ হয়েছে বা চলছে।
- গণনা কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো: ইশতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো: এরশাদুল আহমেদ ও কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হাসান মারুফ।
তথ্য যাচাই
পাগলা মসজিদ কিশোরগঞ্জে অবস্থিত — যাচাই হয়েছে; দানবাক্স থেকে স্বর্ণ-রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া যায় — যাচাই হয়েছে; ২০২০ সালের ১১ মার্চের পর ১৮ বার দানবাক্স খোলা হয়েছে — যাচাই হয়েছে; বর্তমান তহবিল ১৩১ কোটি ৮৫ লাখ ৪৪ হাজার ৮১০ টাকা — যাচাই হয়েছে; সম্প্রসারণে এক কোটি ১০ লাখ ৮৮ হাজার ৪৬৪ টাকা ব্যয় — যাচাই হয়েছে।
পক্ষপাত বিশ্লেষণ
সংবাদে কোনো পক্ষপাতিত্ব স্পষ্ট নয়; সকল তথ্য জেলা প্রশাসনের সূত্রে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিভিন্ন সংখ্যা ও তারিখ যাচাইযোগ্যভাবে উল্লিখিত হয়েছে।