গাছায় দোকান থেকে টাকা-মালামাল লুট ও হত্যার হুমকির অভিযোগ
- গাজীপুরের গাছায় 'মেসার্স মা রাইচ স্টোর' নামে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার মো: আনিছুর রহমানকে হত্যার হুমকি দিয়ে নগদ তিন লাখ টাকা এবং প্রায় ৬ হাজার ৯০০ টাকা মূল্যের তিন বস্তা চালসহ অন্যান্য মালামাল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
- অভিযোগকারী ফারজানা আলম শ্রাবণীর মামা মিয়াজ উদ্দিন (৫৪) গাছা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন; অভিযোগে বলা হয়েছে ফুয়াদ হাসান ফাহিম (২৮) ও তার স্ত্রী নওরিন মিম (২২) শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে দোকানে অনধিকার প্রবেশ করেছেন।
- অভিযোগে দাবি করা হয়েছে ফুয়াদ ও তার স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে ফারজানা এবং তার ছোট বোনকে নির্যাতন ও হয়রানি করে আসছেন এবং বিরোধী পক্ষের মামলা দিয়ে হয়রানির ভয় দেখানো হয়।
- এর আগেও ম্যানেজারকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে নগদ ১০ লাখ টাকা নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে এবং দোকানের সিসিটিভি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষিত রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
- ম্যানেজার আনিছুর রহমানকে দোকানের অন্ধকার গলিতে ধারালো ছুরি ধরে ভয় দেখানো হয় এবং তাকে একটি বক্তব্য দিতে বাধ্য করা হয়েছে।
- ফুয়াদ হাসান ফাহিম বলেন, 'আমাদের সম্পদের এখনো হিসাব হয়নি, তাই সবকিছুর মালিক আমি' এবং ম্যানেজারকে বের করে দেয়া ও ভয়ভীতি দেখানোর বিষয়ে সরাসরি কোনো উত্তর না দিয়ে বিভিন্ন কথা বলে চলে গেছেন।
- গাজীপুর মহানগর পুলিশের গাছা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মো: এরশাদুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাইনি এবং অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
- গাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) আউয়াল সরদার বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছে এবং তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
- এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন এলাকাবাসী দাবি করেন, পারিবারিক বিরোধ নিয়ে একাধিকবার বিচার-সালিশ হলেও স্থায়ী সমাধান হয়নি এবং সালিশে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদেরও মামলা-হামলার ভয় দেখানো হয়।
তথ্য যাচাই
গাছায় দোকান থেকে তিন লাখ টাকা ও মালামাল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ — যাচাই করা হয়েছে। ফুয়াদ হাসান ফাহিম (২৮) ও নওরিন মিম (২২) — যাচাই করা হয়েছে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে ঘটনা — যাচাই করা হয়েছে। মিয়াজ উদ্দিন (৫৪) লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন — যাচাই করা হয়েছে। আগেও নগদ ১০ লাখ টাকা নিয়ে যাওয়ার ঘটনা — যাচাই করা হয়েছে।
পক্ষপাত বিশ্লেষণ
নয়া দিগন্ত উভয় পক্ষের কথা সমানভাবে তুলে ধরেছে; অভিযোগকারী ও বিরোধীদের উভয়ের বক্তব্য প্রদান করেছে এবং পুলিশের অবস্থানও স্পষ্ট করেছে। কোনো স্পষ্ট পক্ষপাতিত্ব দেখা যায় না।