জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও প্রেক্ষাপট
- প্রথম আলো ও শিখোর পৃষ্ঠপোষকতায় ২০২৬ সালে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সারা দেশের ৬৪ জেলায় চলছে।
- রংপুর শিশু নিকেতন উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে সোয়াদ ও জুনাইদ—দুজনই কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে; তাদের লক্ষ্য প্রকৌশলী।
- ফরিদপুরের সাদিকা আক্তার জোহরা বেগম উচ্চবিদ্যালয়ের একমাত্র জিপিএ-৫ প্রাপক; আর্থিক অনটনের কারণে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন থেকে মানবিক শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার পথে চলেছেন।
- রাজবাড়ীর সানজিনা ইসলাম ইউটিউবের ফ্রি অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমে পড়ালেখা করে সব বিষয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছেন; বাবা সৌদি আরবে কাজ পাননি।
- সিরাজগঞ্জের রুবাইয়া খাতুন রাকা ধানগড়া উচ্চবিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন; কৃষক বাবার সামান্য জমিতে সংসার চালানোর মধ্যেই পড়ালেখার খরচ জোগাতে হয়।
- শেরপুরের সুমাইয়া আক্তার সুমী হালগড়া ফটিয়ামারী উচ্চবিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন; প্রয়াত বাবার ইচ্ছা ছিল চিকিৎসক হওয়া, কিন্তু আর্থিক সংকটে সেই স্বপ্ন পূরণে ভয় লাগে।
- ময়মনসিংহের সিটি কলেজিয়েট স্কুল—১৮৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ১৪৩ বছরের পুরোনো বিদ্যালয়টিতে নিজস্ব শিক্ষার্থী মাত্র ১২৫ জন; বাকি নিবন্ধিত শিক্ষার্থী অনুমোদনবিহীন বিদ্যালয়ের ‘প্রক্সি’ শিক্ষার্থী।
- সিটি কলেজিয়েট স্কুলে বর্তমানে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণিতে নিজস্ব শিক্ষার্থী ১২৫ জন, নিবন্ধনে দেখানো হয়েছে ৩৮৮ জন; শিক্ষকেরা অনুমোদনবিহীন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাগজপত্রে দেখিয়ে বেতন তুলছেন।
তথ্য যাচাই
সব তথ্য প্রবন্ধে সরাসরি উল্লিখিত: প্রথম আলো ও শিখোর আয়োজনে ৬৪ জেলায় সংবর্ধনা; রংপুর শিশু নিকেতন উচ্চবিদ্যালয়ে আয়োজন; সোয়াদ ও জুনাইদ কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে জিপিএ-৫; সাদিকা আক্তার ফরিদপুরের জোহরা বেগম উচ্চবিদ্যালয়ের একমাত্র জিপিএ-৫ প্রাপক; সানজিনা ইসলাম রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ থেকে; রুবাইয়া সিরাজগঞ্জের ধানগড়া উচ্চবিদ্যালয় থেকে; সুমাইয়া শেরপুরের হালগড়া ফটিয়ামারী উচ্চবিদ্যালয় থেকে; সিটি কলেজিয়েট স্কুল ১৮৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত, নিজস্ব শিক্ষার্থী ১২৫ জন, নিবন্ধনে ৩৮৮ জন।
পক্ষপাত বিশ্লেষণ
প্রবন্ধগুলো নিরপেক্ষ ও সহানুভূতিশীল স্বরে লেখা। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের নিজস্ব কথা তুলে ধরা হয়েছে; কোনো পক্ষপাতিত্ব দেখা যায় না। সিটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রবন্ধে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দাবিও এবং জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার তথ্যও সমানভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।