ব্যাংকে কোটিপতির হিসাব বেড়েছে ৫ হাজার ৭৭টি—তিন মাসে
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুন শেষে ব্যাংক খাতজুড়ে এক কোটি টাকার বেশি আমানত থাকা হিসাবের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৫৬২টিতে
- তিন মাস আগে মার্চ শেষে এই সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৩৬ হাজার ৪৮৫টি, অর্থাৎ মাত্র তিন মাসে ৫ হাজার ৭৭টি কোটিপতি হিসাব বেড়েছে
- জুন শেষে দেশের ব্যাংকগুলোতে মোট হিসাবের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮ কোটি ৬৩ লাখ ৮৪ হাজার ৫৮৮টিতে, মোট আমানতের পরিমাণ ২২ লাখ ১০ হাজার ৪৪৪ কোটি টাকা
- স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৫ জন, ২০২৬ সালের জুনে এটি ১ লাখ ৪১ হাজার ছাড়িয়ে গেছে
- লেখকের মতে, এই কোটিপতি হিসাবের প্রবৃদ্ধি পুরোপুরি বৈধ ব্যবসা থেকে আসছে না—অবৈধ ক্ষমতার প্রভাব, রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয় এবং প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি এর প্রধান কারণ
- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের সমাপনী বক্তৃতায় দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন
- লেখক বলেছেন, বাংলাদেশ যদি দুর্নীতি, অর্থ পাচার ও লুটপাট থেকে মুক্ত হতে পারে, তবে আগামী এক দশকের মধ্যেই বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে অন্যতম সুখী ও সমৃদ্ধশালী দেশ হিসেবে মাথা তুলে দাঁড়াবে
- মূল প্রশ্ন হলো—কত কোটি মানুষ পেট ভরে খেয়ে স্বস্তিতে বেঁচে থাকতে পারছেন, ব্যাংকে কোটিপতির সংখ্যা কত বাড়লো তা নয়
তথ্য যাচাই
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রকাশিত হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুন শেষে ব্যাংক খাতজুড়ে এক কোটি টাকার বেশি আমানত থাকা হিসাবের সংখ্যা ১ লাখ ৪১ হাজার ৫৬২টি। মার্চ শেষে এই সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৩৬ হাজার ৪৮৫টি। জুন শেষে মোট আমানতের পরিমাণ ২২ লাখ ১০ হাজার ৪৪৪ কোটি টাকা। ১৯৭২ সালে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৫ জন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের সমাপনী বক্তৃতায় দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন।
পক্ষপাত বিশ্লেষণ
প্রবন্ধে স্পষ্ট রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব দেখা যায়। লেখক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দুর্নীতিবিরোধী পদক্ষেপের প্রশংসা করেছেন এবং তার সুদৃঢ় রাজনৈতিক নেতৃত্বের কথা বলেছেন। একই সাথে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনা করা হয়েছে। এটি একটি পক্ষপাতমূলক বিশ্লেষণ।