সিরাজগঞ্জের চলনবিল এলাকায় উলিপুর নামক গ্রামে শামুকখোল পাখিরা নিরাপদে বসবাস করে, এখানে প্রায় ১০০ বিঘা আয়তনের দিঘি ঘিরে গড়ে উঠেছে পাখিদের আবাস।
স্থানীয় শিক্ষক সনাতন দাশ ও ফরিদুল ইসলাম বলেন, প্রায় এক যুগ আগে থেকে পাখিগুলো এখানে বাসা বাঁধতে শুরু করে এবং প্রতিবছর প্রজনন মৌসুমে ডিম থেকে বাচ্চা ফোটে।
পরিবেশবাদী সংগঠন স্বাধীন জীবন-এর পরিচালক মো. আবদুর রাজ্জাক জানান, উলিপুরের শামুকখোল এশীয় প্রজাতি যা সংরক্ষিত প্রাণীর তালিকায় আছে এবং এর মূল খাবার মাছ, কাঁকড়া ও ব্যাঙ।
তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত জাহান জানিয়েছেন, পাখিদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে প্রশাসন গুরুত্ব দিয়ে দেখছে এবং উলিপুরসহ একাধিক স্থানে অভয়ারণ্য তৈরির বিষয়টি জানা আছে।
মূল বিষয়: উলিপুর, শামুকখোল, চলনবিল, স্বাধীন জীবন, তাড়াশ, অভয়ারণ্য, পরিবেশবাদী সংগঠন
উল্লেখিত: উলিপুর, শামুকখোল, স্বাধীন জীবন, মো. আবদুর রাজ্জাক, নুসরাত জাহান, সনাতন দাশ, ফরিদুল ইসলাম
তথ্য যাচাই
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, উলিপুর গ্রামটি সিরাজগঞ্জের চলনবিল এলাকায় অবস্থিত এবং এখানে শামুকখোল পাখিরা প্রায় এক যুগ আগে থেকে বসবাস করছে। পাখিগুলো এশীয় প্রজাতি এবং সংরক্ষিত প্রাণী।
পক্ষপাত বিশ্লেষণ
সংবাদটি কোনো রাজনৈতিক বা সামাজিক দলের পক্ষে বা বিপক্ষে কোনো পক্ষপাত না করে পরিবেশবাদী দৃষ্িকোন থেকে সংরক্ষণের গুরুত্বকে তুলে ধরেছে।
আশির দশকে চিংড়ি–বাণিজ্যের ফলে ধ্বংস হয়ে যায় দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সুন্দরবন , যা এখন মাত্র একটি সুন্দরীগাছ টিকে আছে। ২৮ মার্চ প্রথম আলোর উদ্যোগে চকরিয়া সুন্দরবন ফিরিয়ে আনার…
চেরনোবিল পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুল্লি থেকে ছড়িয়ে পড়া পারমাণবিক জ্বালানির টুকরাগুলো ৪০ বছরেও প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে বলে গবেষকেরা জানিয়েছেন। গবেষকেরা লাইবনিজ ইউনিভার্সিটি…
গাজীপুরের শ্রীপুর সাফারি পার্ক থেকে লেমুর চুরি হওয়া নিয়ে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু । মন্ত্রী বলেন, লেমুরটি ভারতের একটি বেসরকারি চিড়িয়াখানায়…
রাজশাহীর হারিয়ে যাওয়া নদীর পথে বর্জ্যর স্রোত বয়ে যাচ্ছে, যা পরিবেশ ও জলাভূমির অবস্থাকে ঝুঁকিতে ফেলেছে। নদীর প্রাকৃতিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে তলিয়ে যাওয়ায় আশপাশের এলাকার জন্য…
চেরনোবিলের চুল্লি থেকে ছড়িয়ে পড়া পারমাণবিক জ্বালানির টুকরাগুলো ৪০ বছর পরও প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে বলে গবেষকেরা জানিয়েছেন। গবেষকেরা উন্নত এক্স-রে ডিফ্র্যাকশন পরীক্ষার মাধ্যমে…
সুন্দরবনে প্রতি ১০টি সুন্দরী গাছের মধ্যে ৪টি ( ৩৯ শতাংশ ) আগামরা বা টপ-ডাইং রোগে আক্রান্ত হয়েছে। সুন্দরবনের বর্তমান সুন্দরী গাছের সংখ্যা ৩৩ কোটি , এর মধ্যে ২ কোটি ২ লাখ ৪০ হাজার…