তৌহিদা শিরোপার মনের বন্ধু উদ্যোগ
- তৌহিদা শিরোপা বলেছেন, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে জীবনের কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানুষকে সচেতন করে তোলা সম্ভব, তবে সব সমস্যার শতভাগ সমাধান দেওয়া সম্ভব নয়।
- তিনি ২০১৫ সালে নিজের মায়ের অ্যাকিউট ডিপ্রেশন ধরা পড়ার অভিজ্ঞতা থেকে মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব উপলব্ধি করেন এবং পরিবারের সদস্যদেরও নিজেদের অনুভূতি প্রকাশের জায়গা প্রয়োজন হয় বলে মনে করেন।
- প্রথম আলোতে সাংবাদিক হিসেবে কাজকালীন একটি ‘কনফেশন বক্স’ পরিচালনার অভিজ্ঞতা থেকে তিনি দেখেন, মানুষের অনেকে নীরবে কষ্ট সহ্য করেন এবং সহায়তার উপযুক্ত জায়গা খুঁজে পান না।
- এই উপলব্ধি থেকে সরাসরি সহায়তার একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরির প্রয়োজন অনুভব করে তিনি প্রথম আলোর চাকরি ছেড়ে মনের বন্ধু উদ্যোগে পূর্ণ সময় নিয়ে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেন।
- বিজিএমইর সাবেক সভাপতি ড. রুবানা হকর সহায়তায় পোশাকশ্রমিকদের মানসিক স্বাস্থ্যসেবা বোর্ডে উপস্থাপন করা হয় এবং অনুমোদন পেতে প্রায় ছয় মাস সময় লাগে।
- সেবাটি শুধু নিয়ম রক্ষার উদ্যোগ হতে পারে এমন ভয় পেয়ে তিনি শ্রমিকদের পাশাপাশি লাইন ম্যানেজার, সুপারভাইজার ও ব্যবস্থাপনা দলএর জন্যও আলাদা কর্মসূচি তৈরি করেন।
- তিনি মনে করেন, কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে আগ্রহ বৃদ্ধি পাওয়ায় মা-বাবার সঙ্গে যোগাযোগ থাকা জরুরি, এবং প্রবীণ নাগরিকদেরও বিশেষ করে সন্তান বিদেশে থাকলে নিঃসঙ্গতা অনুভবের কারণে কথা বলার জায়গা প্রয়োজন।
- তৌহিদা শিরোপা নিজেরও মানসিক চাপ অনুভব করতে পারেন বলে প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের জন্য নিয়মিত কাউন্সেলিং এবং কাউন্সেলরদের জন্য সুপারভিশন ব্যবস্থা রেখেছেন।
- উল্লেখযোগ্য যে, এই সাক্ষাৎকারটি প্রথম আলোর ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে গত শনিবার প্রচারিত একটি পডকাস্টয় তৈরি হয়েছিল।
তথ্য যাচাই
তৌহিদা শিরোপার প্রথম আলোতে সাংবাদিক হিসেবে কাজের অভিজ্ঞতা, ২০১৫ সালে মায়ের অ্যাকিউট ডিপ্রেশন ধরা পড়া, মনের বন্ধু উদ্যোগের জন্য প্রথম আলো ছেড়ে দেওয়া, বিজিএমইর সাবেক সভাপতি ড. রুবানা হকের সহায়তায় পোশাকশ্রমিকদের জন্য সেবা শুরু, এবং অনুমোদনে প্রায় ছয় মাস সময় লাগা—সব তথ্য প্রবন্ধে সরাসরি উল্লিখিত।
পক্ষপাত বিশ্লেষণ
সংবাদটি একটি সাক্ষাৎকার ভিত্তিক, যেখানে তৌহিদা শিরোপার নিজের কথা ও অভিজ্ঞতা কেন্দ্রীয়। প্রথম আলো প্রচারমাধ্যম হিসেবে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতা তৈরিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে; কোনো পক্ষপাতিত্ব স্পষ্ট নয়।