রংপুরে চার খুন: আসামিদের ডিএনএ পাওয়া গেছে
- রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ পরিবারের চারজনকে হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডিএনএ পাওয়া গেছে।
- খেজুরের বিচির নমুনায় মুগ্ধ দাসের, শসার টুকরায় সিদ্ধার্থ দাসের এবং বিড়ির শেষাংশে দুজনেরই ডিএনএ পাওয়া গেছে।
- নিহত প্রীতিলতা চক্রবর্তীর গলায় প্যাঁচানো গামছার নমুনায় শুধু মুগ্ধ দাসের ডিএনএ শনাক্ত হয়েছে।
- ঢাকার অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।
- তদন্তকারী কর্মকর্তা রংপুর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক জিন্নাত আলী প্রথম আলোকে তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
- গণপতি চক্রবর্তীকে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ দুজনে মিলে হত্যা করেন; প্রীতিলতা চক্রবর্তীকে হত্যা করেন মুগ্ধ দাস; মেয়ে আগামী চক্রবর্তীকে হত্যা করেন সিদ্ধার্থ দাস; ১২ বছর বয়সী ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তীকে হত্যা করেন সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ দুজন মিলে।
- আসামিরা খবর পেয়েছিলেন গণপতি চক্রবর্তী অবসরের পর ৫০–৬০ লাখ টাকা ব্যাংক থেকে তুলে বাড়িতে রেখেছেন এবং বাড়িতে স্বর্ণালংকারও রয়েছে বলে ধারণা করেছিলেন।
- ঘটনাস্থলে নিহত চারজন ও দুই আসামি ছাড়া ডিএনএতে অন্য কারও উপস্থিতির প্রমাণ মেলেনি।
- তদন্তকাজ শেষ হয়েছে; আগামী এক মাসের মধ্যে দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে।
- গত ২২ আগস্ট রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ার নিজ বাড়ি থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
- ২৩ আগস্ট রংপুর নগরীর কোতোয়ালি থানায় নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।
- পুলিশ গণপতি চক্রবর্তীর প্রতিবেশী সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করে রংপুর কারাগারে পাঠায়।
তথ্য যাচাই
রংপুরে চার খুন, দুই আসামির ডিএনএ পাওয়া গেছে, হত্যার কারণ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটের প্রচেষ্টা — সব তথ্য প্রথম আলোর প্রতিবেদনে যাচাইযোগ্য।
পক্ষপাত বিশ্লেষণ
উল্লেখযোগ্য পক্ষপাতিত্ব নেই; প্রতিবেদনে তদন্তকারীর স্বীকারোক্তি ও ফরেনসিক প্রতিবেদনের তথ্য সমানভাবে উপস্থাপন।