ইরান যুদ্ধের সমাপ্তি সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের হাতে
- ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, যুদ্ধ কখন শেষ হবে সেই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের নিতে হবে; তেহরান এই যুদ্ধ চালিয়ে যেতে চায় না।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, চুক্তি না হলে তিনি ইরানকে ‘নিশ্চিহ্ন’ করে দিতে পারেন, তবে শিগগিরই একটি চুক্তি হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন।
- ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়া ও চূড়ান্ত চুক্তির লক্ষ্যে আলোচনা শুরুর একটি প্রস্তাব জানিয়েছেন; শর্ত পূরণে সাত দিনের সময়সীমা দেওয়া হয়েছে।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ভাষণ দিতে মঞ্চে উঠতেই কয়েক ডজন প্রতিনিধি অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে গেছেন এবং তাকে ‘নৈতিক কাপুরুষ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।
- কলম্বিয়া ইরানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে, যার কারণে ইরানের সঙ্গে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কথিত যোগাযোগ, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে অবরোধের অভিযোগ রয়েছে।
তথ্য যাচাই
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন যুদ্ধ শেষ করার সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের নিতে হবে — এটি প্রথম আলো ও নয়া দিগন্ত উভয়ে উল্লিখিত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন চুক্তি না হলে ইরানকে ‘নিশ্চিহ্ন’ করে দিতে পারেন — প্রথম আলোতে এই তথ্য আছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার প্রস্তাব জানিয়েছেন — বাংলা নিউজ ২৪তে প্রকাশিত। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জাতিসংঘে ভাষণের সময় প্রতিনিধিদের ওয়াকআউট হয়েছে — মানবজমিনে এই তথ্য আছে। কলম্বিয়া ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে — বিডি নিউজ ২৪তে প্রকাশিত। যুদ্ধ ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে — প্রথম আলোতে উল্লিখিত।
পক্ষপাত বিশ্লেষণ
সংবাদমাধ্যমগুলো মূলত পক্ষপাতিত্বহীনভাবে বিভিন্ন পক্ষের বিবৃতি প্রতিবেদন করছে। তবে নেতানিয়াহুর ভাষণ কালেক্টিভভাবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির বিরুদ্ধে তার দাবি তুলে ধরার সময় ইরানের বারবার অস্বীকার ও আইএইএ-র প্রমাণ না পাওয়ার তথ্যটি পাশে রাখা হয়েছে, যা একটি সামগ্রিক নিরপেক্ষ প্রতিবেদনের চেষ্টার পরিচয় দেয়। কলম্বিয়ার বিবৃতি ইরানের বিরুদ্ধে অভিযোগের ওপর ভিত্তি করে প্রদান করা হয়েছে, যা কলম্বিয়ার সরকারি অবস্থানের প্রতিফলন।