সচিবালয় শেরেবাংলা নগরে সরিয়ে নেওয়া হবে
- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে গত বুধবার একটি বৈঠকে সচিবালয় শেরেবাংলা নগরে স্থানান্তরের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
- পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে (জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের পাশে) ৩২ একর জমিতে নতুন সচিবালয় কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনা থাকে; প্রস্তাবিত ব্যয় ৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
- স্থাপত্য অধিদপ্তরের তিনটি আলাদা নকশা প্রধানমন্ত্রীর সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং একটি নকশা চূড়ান্ত করা হয়েছে, যার ভিত্তিতে প্রকল্প তৈরি হবে।
- নকশা অনুযায়ী সচিবালয়ের চারপাশে সার্কুলার সড়ক হবে; বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের পেছন দিয়ে একটি সড়ক নির্মাণ করা হবে এবং পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে পার্ক বানানোর পরিকল্পনা থাকা ১০০ কোটি টাকার প্রকল্প বাতিল হবে।
- প্রকল্পটি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভুক্তের জন্য পরিকল্পনা কমিশনকে চিঠি পাঠানো হয়েছে এবং আগামী সপ্তাহে আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠকের কথা রয়েছে।
- সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ডিসেম্বরে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রী নিজেই উদ্বোধন করবেন বলে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
- প্রথম ধাপে তিন বছরের মধ্যে কয়েকটি মন্ত্রণালয় স্থানান্তরের লক্ষ্য থাকলে পুরো নির্মাণে চার থেকে পাঁচ বছর লাগতে পারে; বাস্তবায়নকাল নভেম্বর ২০২৬ থেকে ডিসেম্বর ২০২৯ পর্যন্ত ধরা হয়েছে।
- বর্তমান সচিবালয়ে জায়গার পরিমাণ ১৭ লাখ বর্গফুট; নতুন নকশায় ৩১ লাখ বর্গফুট জায়গা থাকবে এবং প্রতিটি ভবন হবে ১২ তলা।
- নতুন সচিবালয়ের কারণে শেরেবাংলা নগর ও আগারগাঁওয়ে যানবাহনের চাপ বেড়ে যাওয়ার ভয়াবহ পরিস্থিতির কথা স্থপতি ইকবাল হাবিব তুলে ধরেছেন।
- সচিবালয় সরিয়ে নেওয়ার পর বর্তমান সচিবালয়ে ঢাকা জেলা প্রশাসক (ডিসি) অফিস ও পুলিশ সুপার (এসপি) অফিসসহ পুরান ঢাকার সরকারি কার্যালয়গুলো স্থানান্তর করা হতে পারে।
- নেত্রকোনা শহর বাইপাস সড়কের ক্ষেত্রে ১৩ দশমিক ২ কিলোমিটার সড়কের নির্মাণ ব্যয় ২৯৪ কোটি টাকা ধরা হয়েছিল এবং কাজ দেড় বছরে শেষ হওয়ার কথা ছিল কিন্তু সাত বছর পরেও কাজ শেষ হয়নি।
- নেত্রকোনা বাইপাসের চারটি প্যাকেজের মধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয়ের কাজের অগ্রগতি ৯২ শতাংশ, তৃতীয়ে ৪৬ শতাংশ এবং চতুর্থে মাত্র ২৮ শতাংশ; চতুর্থ প্যাকেজের কার্যাদেশ অন্যগুলোর চেয়ে পরে দেওয়া হয়েছে।
- ঠিকাদারদের কাজের গতি বাড়াতে অন্তত ১২ বার চিঠি দিয়ে সতর্ক করা হয়েছে এবং তৃতীয় প্যাকেজের কাজ বাতিল করার জন্য প্রস্তুতি চলছে বলে নেত্রকোনা সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইলিয়াস হোসেন জানান।
- প্রকল্পের জন্য ৬১ একর জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া ২০১৯ সালের জুনে শুরু হয়েছে; অধিগ্রহণ বাবদ ৮২ কোটি টাকা বরাদ্দ আছে এবং এর মধ্যে অধিকাংশ জমির টাকা বিতরণ করা হয়েছে।
- বাইপাস সড়ক চালু হলে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ, খালিয়াজুরি, বারহাট্টা, সদর ও কলমাকান্দা এবং সুনামগঞ্জের তাহিরপুর, মধ্যনগর ও ধর্মপাশার যানবাহন শহরের ভেতর দিয়ে না গিয়ে বিকল্প পথে চলাচল করতে পারবে।
তথ্য যাচাই
সচিবালয় শেরেবাংলা নগরে স্থানান্তরের নীতিগত সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বুধবার নেওয়া হয়েছে — যাচাইকৃত। প্রস্তাবিত ব্যয় ৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা এবং নকশায় ৩১ লাখ বর্গফুট জায়গা — যাচাইকৃত। নেত্রকোনা বাইপাসের নির্মাণ ব্যয় ২৯৪ কোটি টাকা এবং দেড় বছরে শেষ হওয়ার কথা ছিল — যাচাইকৃত। চতুর্থ প্যাকেজের অগ্রগতি ২৮ শতাংশ এবং প্রথম-দ্বিতীয়ে ৯২ শতাংশ — যাচাইকৃত।
পক্ষপাত বিশ্লেষণ
উভয় প্রবন্ধই সরকারি সিদ্ধান্ত ও প্রকল্পের বাস্তবায়ন পরিস্থিতি প্রধানত সূত্রের ভাষ্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করেছে; প্রথম আলোতে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিজ্ঞতা ও অভিযোগও সমানভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। স্পষ্ট পক্ষপাতিত্ব বা একপাশে তথ্য উপস্থাপনের চিহ্ন পাওয়া যায় না।