চুয়েটে নতুন উপাচার্যের ক্যাম্পাস প্রবেশে উত্তেজনা
- চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে প্রশাসনিক ভবনের কার্যালয়ে বসেছেন।
- আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা তার কার্যালয়ের ফটকে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন, ফলে উপাচার্যসহ ভেতরে থাকা কয়েকজন আটকা পড়েন।
- শিক্ষার্থীরা ‘নতুন উপাচার্যকে মানি না’ স্লোগান দিয়ে তার পদত্যাগের দাবি জানিয়েছেন; উপাচার্যের দাবি, শিক্ষার্থীরাই তালা খুলে দিয়েছিলেন।
- চুয়েট শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ওয়াসিফ রাশেদ অভিযোগ করেছেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে নিজেদের উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছে।
- আন্দোলনের সমন্বয়ক আহনাফ শাহরিয়ার অর্ণব বলেছেন, উপাচার্য শিক্ষকের পরিচয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে তালা ভেঙে কার্যালয়ে ঢুকেছেন এবং দেয়া দুপুর ১২টার মধ্যে ক্যাম্পাস ত্যাগের আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছিল।
- উপাচার্য বলেছেন, পরিস্থিতি অনুকূল মনে হওয়ায় ক্যাম্পাসে এসে দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন এবং দ্রুততম সময়ে শিক্ষা কার্যক্রম সচল করাই তার লক্ষ্য।
- উপাচার্য বলেছেন, গত তিন সপ্তাহে প্রায় ১৪ থেকে ১৫ কর্মদিবসের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে এবং একাডেমিক রিকভারি প্ল্যান তৈরি করা হবে।
- সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে হাটহাজারীর মদুনাঘাট এলাকায় চুয়েটগামী একটি বাস থামিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে মারধর ও হেনস্তা করার অভিযোগ উঠেছে।
- ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী যন্ত্রকৌশল বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের জড়িত থাকার অভিযোগ শিক্ষার্থীরা।
- উপাচার্য সাবেক উপাচার্য ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমের সহযোগিতা চেয়েছেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
- উপাচার্য ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বসার উদ্যোগ নেন এবং যৌক্তিক দাবি শুনে সমাধানের ব্যবস্থা করার কথা বলেছেন।
তথ্য যাচাই
উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল Alam-এর ক্যাম্পাস প্রবেশ, শিক্ষার্থীদের তালা ঝুলানো, ওয়াসিফ রাশেদের সভাপতিত্বে ছাত্রদলের জড়িত থাকা, আহনাফ শাহরিয়ার অর্ণবের অভিযোগ, হাটহাজারী মদুনাঘাটে বাস থামিয়ে শিক্ষার্থীকে মারধর, যন্ত্রকৌশল বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হয়েছে ভুক্তভোগী—সব তথ্য প্রতিবেদনেই উল্লিখিত। ১৪-১৫ কর্মদিবসের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত ও দুপুর ১২টার আল্টিমেটামও নিশ্চিত।
পক্ষপাত বিশ্লেষণ
সংবাদে শিক্ষার্থী আন্দোলনের প্রেক্ষাপট ও উপাচার্যের প্রতিক্রিয়া সমানভাবে তুলে ধরা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ ও উপাচার্যের দাবি উভয়ই সরাসরি উদ্ধৃত হয়েছে, যা পক্ষপাতিত্বের চিহ্ন নয়; তবে শিক্ষার্থী পক্ষের বিস্তারিত অভিযোগ বেশি স্থান পেয়েছে।